প্রিন্ট এর তারিখঃ Oct 13, 2026 ইং || প্রকাশের তারিখঃ Oct 13, 2026 ইং
দক্ষিণ এশীয় পর্যটন পুরস্কার ২০২৬: সায়মানের ঝুলিতে তিন সম্মাননা, টানা আট বছরের সাফল্য

নিজস্ব প্রতিবেদক | দৈনিক পুনর্জাগরণ বিডি ২৪
দক্ষিণ এশিয়ার পর্যটন খাতে নিজেদের অবস্থান আরও সুদৃঢ় করেছে বাংলাদেশের ঐতিহ্যবাহী আতিথেয়তা প্রতিষ্ঠান সায়মান হোটেল ব্র্যান্ড। সাউথ এশিয়ান ট্রাভেল অ্যাওয়ার্ডস (SATA) ২০২৬-এর দশম আসরে তিনটি মর্যাদাপূর্ণ পুরস্কার অর্জন করেছে প্রতিষ্ঠানটি। এ নিয়ে টানা আট বছর এই আয়োজন থেকে স্বীকৃতি পাওয়ার ধারাবাহিকতা ধরে রাখল সায়মান। একই সঙ্গে ছয় দশকেরও বেশি সময়ের ঐতিহ্য ও আতিথেয়তার সাফল্য উদযাপন করছে প্রতিষ্ঠানটি।
সায়মন বিচ রিসোর্ট কর্তৃপক্ষের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, গত ৮ অক্টোবর মালদ্বীপের রাজধানী মালে শহরে আয়োজিত পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে সায়মানের পক্ষে সম্মাননাগুলো গ্রহণ করেন প্রতিষ্ঠানটির ক্লাস্টার জেনারেল ম্যানেজার পূবূদূ ফার্নান্দো।
এবারের আয়োজনে সায়মান তিনটি বিভাগে পুরস্কার অর্জন করেছে। সম্মাননাগুলো হলো—বাংলাদেশের শীর্ষ রিসোর্ট ও হোটেল ব্র্যান্ড হিসেবে সায়মান, দেশের শীর্ষ সমুদ্রসৈকত হোটেল হিসেবে সায়মান বিচ রিসোর্ট এবং শীর্ষ ঐতিহ্যবাহী হোটেল ও রিসোর্ট হিসেবে সায়মান হেরিটেজের স্বীকৃতি।
পর্যটন খাতে দীর্ঘদিনের কার্যক্রম, সেবার ধারাবাহিকতা এবং অতিথিদের মানসম্মত অভিজ্ঞতা দেওয়ার প্রচেষ্টার স্বীকৃতি হিসেবে এই অর্জনকে দেখছে প্রতিষ্ঠানটি। টানা আট বছর পুরস্কারপ্রাপ্তির ধারাবাহিকতা বাংলাদেশের আতিথেয়তা শিল্পে সায়মানের পরিচিতি ও গ্রহণযোগ্যতার বিষয়টিও তুলে ধরেছে।
কক্সবাজারে অবস্থিত সায়মান বিচ রিসোর্ট সমুদ্রকেন্দ্রিক অবকাশযাপনের জন্য আধুনিক সুযোগ-সুবিধা ও আতিথেয়তা দিয়ে থাকে। অন্যদিকে, সায়মান হেরিটেজ ঐতিহাসিক ঐতিহ্যকে ধারণ করে অতিথিদের ভিন্নধর্মী অভিজ্ঞতা দেওয়ার ক্ষেত্রে ভূমিকা রাখছে। প্রতিষ্ঠান দুটির কার্যক্রমে ঐতিহ্য ও আধুনিক পর্যটনসেবার সমন্বয় রয়েছে।
পুরস্কার অর্জনের প্রতিক্রিয়ায় দুই প্রতিষ্ঠানের ক্লাস্টার জেনারেল ম্যানেজার পূবূদূ ফার্নান্দো বলেন, এই স্বীকৃতি প্রতিষ্ঠানের প্রতিটি কর্মীর সম্মিলিত প্রচেষ্টার ফল। পারস্পরিক সহযোগিতা, দায়িত্বশীলতা ও অতিথিদের প্রতি আন্তরিক সেবার মানসিকতা তাদের সাফল্যের প্রধান ভিত্তি।
তিনি আরও জানান, সহকর্মীদের নিষ্ঠা, অতিথিদের আস্থা, ব্যবসায়িক অংশীদারদের সহযোগিতা এবং শুভাকাঙ্ক্ষীদের সমর্থন সায়মানের অগ্রযাত্রায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। অর্জিত সম্মাননা ভবিষ্যতে সেবার মান আরও উন্নত করা এবং প্রতিষ্ঠানের ঐতিহ্য সংরক্ষণে অনুপ্রেরণা জোগাবে বলেও তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
১৯৬৪ সালে যাত্রা শুরু করা সায়মান বাংলাদেশের পর্যটন ও আতিথেয়তা শিল্পে একটি পরিচিত নাম। দীর্ঘ সময়ের অভিজ্ঞতা, ঐতিহ্য এবং আধুনিক সেবার সমন্বয়ে প্রতিষ্ঠানটি দেশীয় পর্যটন খাতে নিজেদের অবস্থান ধরে রাখার পাশাপাশি আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও বাংলাদেশের আতিথেয়তার পরিচিতি তুলে ধরার প্রত্যাশা করছে।
এম এ মান্নান বিভাগীয় প্রধান, চট্টগ্রাম
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ দৈনিক পুনর্জাগরণ বিডি ২৪